নারী ব্যবসা ও ভিসা প্রতারনার অভিযোগে বাহরাইনে কুমিল্লার কাউছার আটক

186

বাহরাইন প্রতিনিধি
বাহরাইনে কাউছার নামে এক ভিসা প্রতারককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে বাহরাইনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। তার বিরুদ্ধে ভূয়া ভিসা, ভিসার আইডি দিয়ে মানুষের সাথে প্রতারণা, নারী ব্যবসাসহ অসংখ্য অভিযোগ রয়েছে দূতাবাসে। ভিসা প্রতারক কাউছার (সিপিআর ৮৪০৬৪৩৩২২ এবং পাসপোর্ট বি সি ০০০৮৩৪৩) কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার আবিদপুর গ্রামের মোহাম্মদ উল্লাহ’র পুত্র।
জানাযায়, গত সোমবার সকালে প্রতারক কাওছারকে দূতাবাসে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে বিভিন্ন ভূক্তভোগীর অভিযোগ প্রমাণিত হয়। পরে দূতাবাস কতৃপক্ষ তাকে স্থানীয় পুলিশের কাছে সোপর্দ করে।
ভূক্তভোগী নাঙ্গলকোটের সোহাগ জানান, তার এক বন্ধুকে বাহরাইন আনার জন্যে কাওছারের কাছে পেপার জমা করেন। দীর্ঘ দিনেও ভিসা না দিতে পারায় মেডিকেলের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। অনেক পীড়াপীড়ির পরে কাউছার তাকে একটি ভিজিট ভিসা দেয়। কিন্তু তার বন্ধু বাহরাইন এয়ারপোর্টে ভূয়া ভিসার জন্য আটক হয়। একই অভিযোগ করেন দেলোয়ার নামে আরেকজন। কাউছার তার এক বন্ধুকেও ভুয়া ভিসা দিয়েছে। সে বাহরাইন এয়ারপোর্টে ভূয়া ভিসার কারনে আটক হয়ে ২মাস জেল খেটে বাংলাদেশ ফেরত যায়।
এব্যপারে দূতাবাসের শ্রম সচিব শেখ মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম জানান, উক্ত কাওছারের বিরোদ্ধে দীর্ঘ দিন থেকে অনেক অভিযোগ আমাদের কাছে আসছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে মানব পাচার, নারী ব্যবসাসহ নানা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার প্রমানাদি মিলেছে। তাই আমরা তাকে বাহরাইন পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাহরাইন প্রবাসী লালমাই উপজেলার এক বাসিন্দা বলেন,
ভিসা প্রতারণা ছাড়াও কাউছার বিভিন্ন হোটেলে মেয়েদের দালালি করত। সে বিভিন্ন বাসার কাজের মেয়েদের অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে ফুসলিয়ে বাসা থেকে বের করে এনে হোটেলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে বিক্রি করে দিত। প্রতারক কাউছারের কারনে আমরা লজ্জিত। আমরাও তার শাস্তি চাই।

Comments