তানজিন তিশার আহবান

115

করোনা পরিস্থিতির কারণে সব কাজই বন্ধ রয়েছে এখন। নাটকের শুটিংও বন্ধ গত ১৮ই মার্চ থেকে। তাই এখন বাসাতেই অবস্থান করছেন শিল্পীরা। অন্য সবার মতো চলতি সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশাও বাসাতেই রয়েছেন। বাসায় থেকে ঘরের কাজ করছেন, সংবাদ দেখছেন ও প্রার্র্থনা করছেন তিনি। এদিকে এ অভিনেত্রী করোনাভাইরাসের কারণে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন এরইমধ্যে। তবে সহায়তা করা মানুষের পরিচয় প্রকাশ করছেন না। কারণ এর ফলে অনেকেই সামাজিকভাবে বিব্রত হতে পারেন বলে মনে করেন তিনি।

তিশা বলেন, আমার জায়গা থেকে যতটুকু পারছি সহায়তা করছি। আমার দেখা কিছু পরিবারের দুরবস্থা জানতে পেরে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পাশে দাঁড়িয়েছি। একজন অভিনয়শিল্পী হিসেবে দায়বদ্ধতার জায়গা থেকেই চেষ্টা করছি সহযোগিতা করার। আল্লাহ যতদিন সামর্থ্য দেবেন ততদিনই মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করবো। এ অভিনেত্রী শরীয়তপুরে দাদার বাড়ি এলাকায় গরিব মানুষদেরও ত্রাণ সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া অভিনয়শিল্পী সংঘের গঠিত সাহায্য ফান্ডেও অর্থ দিয়েছেন। তবে কর্মহীন নিম্ন আয়ের মানুষদের সহায়তা দেয়ার জন্য বিত্তবানদের এগিয়ে আসাকে তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তানজিন তিশা বলেন, আমরা না হয় কোনোভাবে দিন কাটালাম। কিন্তু যারা দিনে এনে দিনে খায় তাদের কী হবে? বিত্তবানদের উচিত দেশের এমন পরিস্থিতিতে ব্যাপকভাবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিশা বলেন, সত্যি বলতে এই মহামারী কবে যাবে সেই অপেক্ষায় আছি। আমি বিশ্বাস করি আল্লাহ যেহেতু দিয়েছেন, তিনিই এই অবস্থা তুলে নেবেন। তবে আমাদের সাবধান ও সচেতন হতে হবে৷ কারণ করোনায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখাই প্রতিরোধের সব থেকে বড় উপায়। এটা করতে পারলে ইনশাআল্লাহ দ্রুতই আমরা এই ভাইরাস থেকে মুক্তি পেতে পারবো। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করছি সব যেন আগের মতো হয়ে যায়। সবারই এই দোয়া করা উচিত। এদিকে তানজিন তিশা অভিনীত ‘পেইনফুল জিএফ’ সহ কয়েকটি নাটক দেখা যাবে এই ঈদে। এগুলোর কাজ আগেই শেষ করেছিলেন তিনি। এ বিষয়ে তিশা বলেন, বেশ কিছু নাটকের কাজ করোনা পরিস্থিতির আগেই করেছিলাম। সেই নাটকগুলো এবার ঈদে প্রচার হবে। তবে সংখ্যায় কয়টি তা ঠিক বলতে পারছি না। হাফ ডজনের মতো হতে পারে। আশা করছি নাটকগুলো সবার ভালো লাগবে।