অর্থমন্ত্রীর নামে বাগমারায় ‘লোটাস পল্লী’

বাগমারা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের উদ্যোগে

123

স্টাফ রিপোর্টার  ।।  বিশ্বসেরা অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম মুস্তফা কামাল এমপির সম্মানার্থে তাঁর নিজ গ্রাম দুতিয়াপুরসহ দত্তপুর ও চেঙ্গাহাটার একাংশ নিয়ে ‘লোটাস পল্লী’ গড়ে তুলেছেন লালমাই উপজেলা আওয়ামীলীগের ১নং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাগমারা উত্তর ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম।
লোটাস পল্লীতে বসবাসের ব্যবস্থা ছাড়াও রয়েছে একটি বড় গণকবরস্থান, যেখানে ধনি-গরিব সবাইকে বিনা খরচে কবর দেওয়া হবে। অত্যাধুনিক পাঠাগার ও প্রকাশনার কাজ চলছে, যেখানে অর্থমন্ত্রীর জীবনী, সফলতা, শিক্ষা, মানুষের প্রতি ভালবাসাসহ নানা বিষয়ের বই সংরক্ষণ ও প্রকাশনা করা হবে। লোটাস পল্লীর পাশে বিনোদনের জন্য একটি দৃষ্টি নন্দন লেক থাকবে। যেখানে সকল বয়সের মানুষ স্বাস্থ্য সুরক্ষায় হাটতে ও নির্মল বাতাস গ্রহন করতে পারবে। সুবিশাল মসজিদ নির্মাণের কাজ শেষ হয়েছে। এতিম খানা ও ঈদগাহ নিমার্ণের কাজ শুরু হওয়ার পথে। এতিমদের জন্য থাকবে থাকা-খাওয়া ও বিনামূল্যে শিক্ষা গ্রহনের ব্যবস্থা। ইসলামী শিক্ষা প্রসারে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে বহুমুখী এই মাদরাসা।


অর্থমন্ত্রী শৈশবে দুতিয়াপুর, চেঙ্গাহাটা, দত্তপুর গ্রামের যে মেঠোপথ দিয়ে বাগমারা উচ্চ বিদ্যালয়ে যেতেন, যে স্থানে বসে বিশ্রাম নিতেন সেই জায়গাতেই গড়ে উঠছে স্মৃতিময় ‘লোটাস পল্লী’।
এই প্রসঙ্গে লোটাস পল্লীর প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম চেয়ারম্যান বলেন, এই অঞ্চলে সর্বদলীয় যে বন্ধন দৃশ্যমান তা ২০০৬ সালে আ.হ.ম মুস্তফা কামাল এফসিএ কে সেনা সমর্থিত সরকার অন্যায় ভাবে গ্রেপ্তার করার সময় থেকে শুরু হয়। গ্রেপ্তারের পর অত্র অঞ্চলের সর্বস্তরের জনগণ দলমত ভুলে একজন সৎ মানুষ, নিরহংকার, জনদরদী নেতার জন্য কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে ও রাজপথে মুক্তির জন্য আন্দোলন শুরু করে। সেই থেকে আমি উনাকে স্মরনীয় করে রাখতে একটি লোটাস পল্লী করার স্বপ্ন লালন করি। আমার স্বপ্ন বর্তমানে দৃশ্যমান। একশ বছর পরে অর্থমন্ত্রীসহ আমরা কেউই হয়ত বেঁচে থাকবো না। তবে বিশ্বসেরা অর্থমন্ত্রীর জীবনকাল তথা স্মৃতি জানতে সারা পৃথিবী থেকেই লোটাস পল্লীতে ভিড় জমাবে। ইনশাল্লাহ।